পার্বত্য জেলার বান্দরবানের লামায় ফাইতং ইউনিয়ন খেদারবান পাড়া মো.জসিম উদ্দিন সওদাগর মুদির দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (১৬ জুন) গভীর রাতে ভিতরে ঢুকে চুরি করে। এখনো পর্যন্ত চোর শনাক্ত করতে পারেনি স্থানীয় জনতা। তবে বিভিন্ন জায়গায় সনাক্ত করে কাজ করছে। এদিকে এ ঘটনায় খেদারবান পাড়া সহ ফাইতং ইউনিয়নে বিভিন্ন ব্যবসায়ী’দের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। খেদারবান জসিম উদ্দিন স্টোর নামে দোকান থেকে তৈল, সিগারেট, মিনিট কার্ড, নগদ টাকা ও সমাজের ক্যাশিয়ার জমানো টাকা, মুদি দোকানে মালামাল ও ক্যাশবাক্স ভেঙে টাকাও চুরি করে নিয়ে যায়। এছাড়া পাশে আরও দোকান বন্ধ থাকায় ভেতরে প্রবেশ করতে না পেরে চলে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত সওদাগর জসিম উদ্দিন বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় দিবাগত রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ীতে চলে যাই। পরদিন সকালে দেখি পিছনের দরজা ভেঙ্গে চোর দোকানে ঢুকে চুরি করে নিয়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে রাতের কোন এক সময় দোকানের পিছনের দরজা ভেঙ্গে দোকানের মালামাল চুরি করে। চোরের দল রাতে সংগঠিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে ওই চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা স্থানীয় দোকানদার ও চুরি হওয়া দোকান মালিকের। তবে চুরি হওয়া ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ২০/২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ধারণা করছেন। এ বিষয়ে খেদারবান চায়ের দোকান সওদাগর যুবনেতা মো. নুরুল ইসলাম বলেন, চোরেরা জসিমের দোকানে থাকা নগদ টাকা, বিভিন্ন কোপানির দামি সিগারেট, মিনিট কার্ড, ভোজ্য তেল’সহ প্রায় ২৫ হাজার টাকার মালামাল চুরি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দিনরাতে জমে উঠেছে স্মার্টফোনের মাধ্যমে লুডু খেলা। যেটি এখন জুয়ায় পরিণত। এতে করে দিনদিন ধ্বংসের পথে স্মার্টফোনে আসক্ত হওয়া বর্তমান প্রজন্মের শতশত ছাত্র ও যুবসমাজ এলাকায় জুয়া বন্ধ হলে চুরি ঘটনা ও বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ’বিষয়ে স্থানীয় সংবাদকর্মী মো. ইসমাইলুল করিম বলেন, সকালে দোকান খুলে দেখে পিছনের দরজা ভেঙ্গে মালামাল ও নগদ টাকা চুরি করে নেয়। এমন ঘটনা এলাকায় দিনদিন চুরির সংবাদ পাই। দ্রুত সকলে মিলে দমন করতে হবে। তবে এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে, ক্ষতিগ্রস্ত মুদি সওদাগর’কে থানায় অভিযোগ দিতে পরামর্শ দিয়। এ বিষয়ে ফাইতং পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ জাবেদ মাহমুদ বলেন, বৃষ্টি দিন এখন বিদ্যুৎ সমস্যা রাতে অবশ্যই দোকানে মালিক থাকা দরকার। চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে অভিযোগ পেলে, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...