• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য এমপি আজাদকে,নাঃগঞ্জ মহানগর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক আঃ রহমানের শুভেচ্ছা। কুড়িগ্রামে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬-এর উদ্বোধন কুড়িগ্রামে খাদ্য বিভাগের দুর্নীতির বর পুত্র পেলেন অতিরিক্ত গুদামের দায়িত্ব,জেলা জুড়ে তোলপাড় নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড.টিপুকে নিয়ে বহুমুখী ষড়যন্ত্র ফতুল্লার কায়েমপুরে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী। প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেতে এগিয়ে যাচ্ছে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ফতুল্লা থানা বিএনপি সভাপতিকে নিয়ে প্রকাশিত  প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ কুড়িগ্রামে পুকুরে ডুবে খালাতো ভাইবোনের মৃত্যু কুড়িগ্রামে গোডাউন ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট হওয়ার অভিযোগ বাংলাদেশ জুলাই যোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসককে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান

হাসপাতালে সাপের কামড়ে লামায় মুমূর্ষু রোগীর প্রাণ বাঁচালেন চিকিৎসকরা

মো. ইসমাইলুল করিম / ৩০৩ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন

 

পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামায় উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাপের কামড়ে মুমূর্ষু এক রোগীকে বাঁচিয়েছেন চিকিৎসকরা। ২২ বছর বয়সী চাইনসোয়ে মার্মা নামের ওই যুবক’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আনার পর জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়। উপজেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, আলীকদম উপজেলার চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের রেপারাপাড়া মন্নান মেম্বার পাড়া সংলগ্ন থোয়াইনচিং হেডম্যান পাড়ার উচিমং মার্মার ছেলে চাইনসোয়ে মার্মাকে বুধবার (০৪ জুন) ভোররাতে সাপে কামড় দেয়। পরিবারের সদস্যরা প্রথমে বিষয়টি বুঝতে না পারলেও পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত লামা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শোভন দত্ত জানান, রোগী যখন হাসপাতালে আসে, তখন তার অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। গলায় ব্যথা এবং বারবার অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছিলেন। জরুরি বিভাগে ভর্তির পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তার শারীরিক উপসর্গ দেখে বুঝতে পারেন যে, তাকে সাপে কামড়েছে। পরে রোগীর বিছানার বালিশের নিচ থেকে মৃত সাপটি উদ্ধার করা হয়। ডাঃ শোভন দত্তের তত্ত্বাবধানে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মো. সোলেমান এবং মেডিকেল অফিসার ডাঃ মো. ফরহাদ উদ্দিন’সহ নার্সদের একটি দল দ্রুত চিকিৎসা শুরু করে। ডাঃ ফরহাদ উদ্দিন জানান, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নিজে এনেস্থেসিওলজিস্ট হওয়ায় রোগীকে সিপিআর (কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন) দেওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যে তার হৃদস্পন্দন ফিরে আসে। এরপর রোগীকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় এবং অ্যান্টিভেনম, অ্যাড্রেনালিন ও এট্রোপিন দেওয়া হয়।আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মো. সোলেমান জানান, লামা উপজেলা হাসপাতালে সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা এই প্রথম দেওয়া হয়েছে। রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল হলেও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রামে রেফার করা হয়। তিনি আরও বলেন, সাপের কামড়ের চিকিৎসা দিতে গেলে রোগীর পরিবারের লোকজন প্রথমে বাঁধা দিচ্ছিল। পরে তাদের বুঝিয়ে রাজি করানো হয়। চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম না থাকায় নতুন রোগী এলে চিকিৎসা দেওয়া কঠিন হবে।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...