• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য এমপি আজাদকে,নাঃগঞ্জ মহানগর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক আঃ রহমানের শুভেচ্ছা। কুড়িগ্রামে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬-এর উদ্বোধন কুড়িগ্রামে খাদ্য বিভাগের দুর্নীতির বর পুত্র পেলেন অতিরিক্ত গুদামের দায়িত্ব,জেলা জুড়ে তোলপাড় নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড.টিপুকে নিয়ে বহুমুখী ষড়যন্ত্র ফতুল্লার কায়েমপুরে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী। প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেতে এগিয়ে যাচ্ছে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ফতুল্লা থানা বিএনপি সভাপতিকে নিয়ে প্রকাশিত  প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ কুড়িগ্রামে পুকুরে ডুবে খালাতো ভাইবোনের মৃত্যু কুড়িগ্রামে গোডাউন ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট হওয়ার অভিযোগ বাংলাদেশ জুলাই যোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসককে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান

শিক্ষার্থী সানজিদার রহস্যজনক নিখোঁজ! ৬দিনেও সন্ধান মেলেনি

বিশেষ প্রতিনিধি / ৭৪২ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন

বগুড়ার শাজাহানপুরে একাদশ শ্রেনীর শিক্ষার্থী সানজিদা নিখোঁজ হওয়া ৬দিন পাড় হলেও এখনও সন্ধান মেলেনি তার। পরিবারের দাবি ছোট ভাইয়ের সাথে রাগ করে করতোয়া নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হয়। পুলিশের দাবি, যদি নদীতে ঝাঁপ দিতো পরের দিনেই মরদেহ ভেসে উঠত। পরিবারের দাবি ভিত্তিহীন। তারপরও পুলিশ শিক্ষার্থী সানজিদাকে উদ্ধারে কাজ করছে।

নিখোঁজ সানজিদা আক্তার লিছা উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের রহিমাবাদ উত্তরপাড়ার সাইফুল ইসলাম লিটনের মেয়ে। বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির একাদশ শ্রেনীর শিক্ষার্থী।

নিখোঁজ সানজিদার পরিবারের সূত্রে জানাগেছে, গত শুক্রবার (৬ জুন) ঈদুল আজহার আগের দিন বিকাল ৩টার দিকে সানজিদা তার বাড়ি সংলগ্ন করোতোয়া নদীতে ঝাঁপ দেয়। কারণ হিসেবে জানা গেছে ছোট ভাই এর সাথে রাগারাগি করে এমন কাণ্ড ঘটায়।

নিখোঁজ শিক্ষার্থী সানজিদার বাবা সাইফুল ইসলাম লিটন বলেন, বিষয়টি শাজাহানপুর থানা পুলিশকে জানালে, প্রথমে ফায়ার সার্ভিস টিম আসে। পরে রাজশাহী থেকে ডুবরি দল আসে। কিন্তু ডুবরি দল আমার সাথে কোন কথা না বলে নদীতে না নেমেই চলে যান। এদিকে নিখোঁজের ৬দিন পাড় হলেও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোন সহযোগিতা পাচ্ছেন না তিনি।

ঈদের আগের দিন সানজিদার নিখোঁজ হওয়ায় পর থেকে পুরো পরিবারে ঈদ আনন্দ মলিন হয়ে গেছে।

শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, নিখোঁজের খবর শোনা মাত্রই তদন্তে নেমেছে পুলিশ। সানজিদাকে নদীর পাড় দিয়ে যেতে দেখেছে এলাকাবাসি। কিন্তু নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়তে কেউ দেখেনি। এছাড়া করতোয়া ছোট্ট নদী। যদি ঝাঁপ দিয়েই থাকতো তাহলে পরদিনই মরদেহ ভেসে উঠতো। তারপরও পুলিশের একাধিক টিম গুরুত্বের সাথে তদন্ত এবং উদ্ধারে মাঠে নেমেছে।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...