• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য এমপি আজাদকে,নাঃগঞ্জ মহানগর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক আঃ রহমানের শুভেচ্ছা। কুড়িগ্রামে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬-এর উদ্বোধন কুড়িগ্রামে খাদ্য বিভাগের দুর্নীতির বর পুত্র পেলেন অতিরিক্ত গুদামের দায়িত্ব,জেলা জুড়ে তোলপাড় নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড.টিপুকে নিয়ে বহুমুখী ষড়যন্ত্র ফতুল্লার কায়েমপুরে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী। প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেতে এগিয়ে যাচ্ছে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ফতুল্লা থানা বিএনপি সভাপতিকে নিয়ে প্রকাশিত  প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ কুড়িগ্রামে পুকুরে ডুবে খালাতো ভাইবোনের মৃত্যু কুড়িগ্রামে গোডাউন ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট হওয়ার অভিযোগ বাংলাদেশ জুলাই যোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসককে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান

লামায় টানা বর্ষনে রাস্তাঘাটের ভাঙন পৌরসভায় সপ্তাহকাল ধরে জলাবদ্ধতায় ৬০ পরিবার

মো. ইসমাইলুল করিম / ২৩৯ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন

পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা পৌরসভার দুর্যোগ কবলিত বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন উপজেলা ও পৌর প্রশাসক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন। গত ২৮ মে রাতে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড মধুঝিরি গ্রামে একটি চলাচল রাস্তা ভেঙে যায়। একই সময় পানির স্রোতে রাস্তার পাশে ঝিরির বড় একটি গাইড ওয়ালও ধ্বসে পড়েছে। এর ফলে শতাধিক পরিবারের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ দেখা দেয়। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় গ্রামের আরেকটি জনবসতি সপ্তাহকাল ধরে ৩-৫ ফুট পানিতে নিমজ্জিত হয়ে আছে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রশাসক সরেজমিনে গিয়ে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় ভুক্তভোগী গ্রামবাসীরা জানান, স্থানীয় ৩/৫ জন বাসিন্দাদের লোলুপতায় জলাবদ্ধতা ও রাস্তা ঘাট ভেঙে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বিগত দিনে পৌর কর্তৃপক্ষের নির্লিপ্ততাকেও দায় করে। কারন হিসেবে জানান, পৌর কর্তৃপক্ষ রাস্তা করার সময় দলীয়করণের কারণে ড্রেনেজ ব্যবস্থা করতে পারেন নাই। ৩/৪ জন বাসিন্দা দলীয় দাপট দেখিয়ে রাস্তা ও ড্রেনের জায়গা বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করে।

জসিম উদ্দিন, জাকের হোসেনসহ কয়েক জন বাসিন্দা জানান, বিগত দিনে এসবের প্রতিবাদ করায়, তাদেরকে মারধর করেছিল দখলকারীরা। এর জন্য পৌর প্রকৌশল বিভাগককে দায়ী করেন স্থানীয়রা। কারণ স্থানীয়দের সাথে আলোচনা করে প্রকল্প ডিজাইন করেন নাই। এর ফলে সরকারের অর্থ অপচয় একই সাথে জন দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। অপরদিকে গ্রামের আরেকটি জায়গায় পৌরসভার ২৪-২৫ অর্থ বছরে বরাদ্দে নির্মাণাধীন একটি মাস্টার ড্রেনের কাজ বন্ধ করে দেয় মৃত আমির হোসেনের পরিবার। এর ফলে বৃষ্টির পানির স্রোতে গ্রামের রাস্তা ভেঙে শতাধিক পরিবারে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়ে। সেখানে ঝিরি ও রাস্তার রক্ষায় বড় একটি গাইড ওয়াল ধ্বসে গেছে। ভেঙে যাচ্ছে সমাজের একাংশের একটি কবরস্থান ও ঝিরির পানি ব্যবহারের জন্য নির্মিত বড় একটি সিঁড়ি-ঘাটলা। লামা উপজেলা ও পৌর প্রশাসক নির্বাহী অফিসার মো. মঈন উদ্দিন সরেজমিন দেখতে যান।এ সময় স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, লামা পৌর দলীয় নেতা রফিক এর স্ত্রীসহ শশুরের পরিবার পৌরসভার অর্থায়নে  মাস্টার ড্রেন নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়। এই ব্যাপারে সাবেক কাউন্সিলর মোঃ রফিক জানায়, ‘এটা নিয়ে আমার ব্যাক্তিগত কোনো স্বার্থ নেই তার পরও আমি কয়েক মাস আগে সেখানে গিয়ে কাজের সুবিধার্থে পরামর্শ দিয়ে এসেছিলাম এ বিষয়ে উপজেলা ও পৌর প্রশাসক বলেন, বিস্তারিত জেনে জনস্বার্থে যা করার সুযোগ রয়েছে তাই করা হবে। সরকারি অর্থায়নে ব্যক্তি বিশেষের অযৌক্তিক বাধা মোটেও কাম্য নয়। ৩১ মে সকালে লামা পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড মধুঝিরিসহ অন্যান্য ওয়ার্ডে প্রবল বর্ষণে রাস্তা ঘাটের ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শন করেন লামা উপজেলা ও পৌর প্রশাসক নির্বাহী অফিসার। টানা বর্ষণে সম্ভাব্য পাহাড় ধ্বসের বিপদ এড়িয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারিদের’কে নিরাপদে থাকার অনুরোধ সহ সতর্ক করা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...